কিউআর কোড কীভাবে তৈরি করবেন দেখুন সাথে কিউআর কোডের বিস্তারিত তথ্য।

কিউআর কোড কীভাবে তৈরি করবেন দেখুন সাথে কিউআর কোডের বিস্তারিত তথ্য।

ময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তিগত দিকে পৃথিবী কতো টা এগিয়েছে এর লক্ষ-কোটি উদাহরণ আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আর হ্যাঁ, এই প্রযুক্তিই পুরো পৃথিবীকে আপনার আমার হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে, প্রতিটা মূহুর্তেই কিছু না কিছু উপহার দিয়ে যাচ্ছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। আমরা নতুন কিছু জানছি, শিখছি, নতুনত্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছি সর্বত্র। প্রযুক্তির এই উপহার সাদরে গ্রহণ করে চলেছি।

কিউআর কোড কীভাবে তৈরি করবেন দেখুন সাথে কিউআর কোডের বিস্তারিত তথ্য।
কিউআর কোড কীভাবে তৈরি করবেন দেখুন সাথে কিউআর কোডের বিস্তারিত তথ্য।


আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে। এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মানুষ অনলাইন কেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। হাজার ব্যস্ততার ভীড়ে তারা তাদের প্রয়োজনীয় কাজগুলো অনলাইন সেবার মাধ্যমে সম্পন্ন করছে। মাত্র একটি স্ক্যানের মাধ্যমেই তারা এই সকল সেবার সমৃদ্ধশালী তথ্যভাণ্ডার সম্পর্কে অবগত হচ্ছে। আর এসকল তথ্য খুব সহজেই জানা সম্ভব হচ্ছে এসব উপাত্তের সাথে সংযুক্ত কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে। আজ আমরা প্রযুক্তির একটি বিস্ময়কর উপহার, কিউআর কোড সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো এবং কিভাবে কিউআর কোড তৈরী করা যায় তা শিখবো।

প্রচলিত বারকোডের একটি উন্নত সংস্করণ হচ্ছে কিউআর কোড বা কুইক রেসপন্স কোড যা এক ধরনের ম্যাট্রিক্স বা দিমাত্রিক টুডি বারকোড। বারকোড হচ্ছে মেশিনে পাঠ যোগ্য এক ধরণের অপটিক্যাল লেবেল যা এর সাথে সংযুক্ত উপাত্ত কিংবা পণ্য সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ধারণ করে। জাপানের জনপ্রিয় অটোমোবাইল কোম্পানি টয়োটার অধীনস্থ ডেনসো (একটি স্বয়ংচালিত শিল্প) সর্বপ্রথম ট্রেডমার্ক হিসেবে এই ম্যাট্রিক্স বারকোডের ডিজাইন করে যা পরবর্তিতে সমগ্র জাপানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলো। তখন কিউআর কোড এ সঙ্কেতিক অক্ষরে লেখা কোনো তথ্য নিদিষ্ট চারটি মানদন্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিলো, যথাঃ

  • নিউমেরিক বা সংখ্যাসূচক
  • আলফানিউমেরিক বা বর্ণসূচক
  • বাইট বা বাইনারি (কম্পিউটারের দ্বিপদ সঙ্কেত বা মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ)
  • কাঞ্জি (চীন থেকে গ্রহণকৃত এক ধরনের জাপানি লিপিবিদ্যা)

একটি কিউআর কোড সুদক্ষভাবে তথ্য ধারণ করার ক্ষেত্রে উপরোক্ত চারটি মানদন্ডের উপর নির্ভর করে এনকোডিং মোড ব্যবহার করে, যেখানে আমরা এক্সটেনশন ও ব্যবহার করতে পারি। কিউআর কোডে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ইউআরএল, নাম্বার বা অক্ষর, বার্তা, ফোন নম্বর, ইমেল এড্রেস, ঠিকানা, বিজ্ঞাপন, ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য, ভৌগলিক স্থানাঙ্ক, বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কিত তথ্য ইত্যাদি ছবির আকারে এনকোড করে রাখা হয় যা প্রয়োজনে পরবর্তীতে স্ক্যানিং এর মাধ্যমে ডিকোড করা যায়। একটি কিউআর কোডে এনকোডকৃত তথ্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪,২৯৬টি ইংরেজি অক্ষর, কিংবা সর্বোচ্চ ৭,০৮৯টি সংখ্যা, অথবা সর্বোচ্চ ২,৯৩৫ বাইট বাইনারি তথ্য যা সাধারণ বারকোড, ইউ.পি.সি বারকোডের তথ্য ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি এবং এটি অত্যধিক দ্রুত তথ্য পুনরুদ্ধারে সক্ষম।

একটি সাদা পট্টভূমির বর্গাকৃতির গ্রিড এ সুবিন্যস্ত একাধিক কালো বর্গাকৃতির বিন্দু বা মডিউল এর সমন্বয়ে কিউ আর কোড গঠিত হয় যা যে কোনো ধরণের ক্যামেরার মাধ্যমে স্ক্যান করা সম্ভব। প্রতিটি কিউ আর কোডের ভেতর নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক মডিউল রয়েছে যেগুলো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, স্থানান্তর করলে কিংবা মুছে ফেললে এই কোড আর স্ক্যান করা যাবেনা।

এবার আমি আপনাদের দেখাবো কিউআর কোড কিভাবে তৈরী করা যায়। এর জন্য আমাদের একটি সফটওয়্যারের প্রয়োজন হবে নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।


  • Name: Qr Reader: Qr Code Maker – Qr Code Scanner
  • Size: 6.8 MB




ডাউনলোড লিংক এ প্রবেশ করার পর আপনাকে গুগল প্লে স্টোর এ নিয়ে যাবে
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটা ডাউনলোড এবং ইন্সটল করতে বলবে, আমি ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে নিচ্ছি আপনারাও করুন।


Newer Posts Older Posts

Related posts