ডিডস অ্যাটাক কী এবং ডিসট্রিবুটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দেখুন।

ডিডস অ্যাটাক কী এবং ডিসট্রিবুটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা দেখুন।

ডিডস অ্যাটাক কী বা এটা দ্বারা কী সমস্যা হতে পারে আমরা কিন্তু অনেকেই এই বিষয়টা পরিষ্কার ভাবে বুঝে উঠতে পারী না। আচ্ছা মনে করুন আপনি এক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন আপনার ব্যবহার করা জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটটি লোড নিচ্ছে না অথবা মনে করুন আপনি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আপনার পছন্দের সার্চ ইঞ্জিন এ অনুসন্ধান করতে চাচ্ছেন কিন্তু ওয়েবসাইট এ প্রবেশ করতে পারছেন না ওয়েবসাইট ব্রাউজার এ লোডই হচ্ছে না কারণ ওই সকল ওয়েবসাইট ডিডস অ্যাটাক এর ফলাফল এ হয়েছে এই রকম সমস্যা।

What is a DDOS Attack
What is a DDOS Attack


বিভিন্ন খবরের কাগজে হয়তো প্রযুক্তি বিভাগ এর নিউজ এ দেখতে পান হয়তো মাঝে মাঝে যে হ্যাকার এ অমুক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এর উপর ডিডস অ্যাটাক চালাই ইত্যাদি, আপনি শুধু মাত্র পড়েই চলে গেলেন কিন্তু পরিষ্কার ভাবে বুঝে উঠতে পারলেন না এই বিষয়টা আসলে কী।

ডিডস অ্যাটাক কথাটা যতো ছোট একটা শব্দ ঠিক তেমনি এর বেশ লম্বা একটা নাম রয়েছে যাকে ডিসট্রিবুটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস অ্যাটাক বলা হয়। এটি এমন একটি সাইবার অ্যাটাক যার ফলে কোনো ওয়েবসাইটকে অ্যাটাক করা হলে সেই ওয়েবসাইটটি যেকোনো ব্যবহারকারীকে অ্যাক্সেস প্রদান করতে বাধা দিবে।

আপনি যখন আপনার পছন্দের কোনো ওয়েবসাইট এ ব্রাউজিং করেন তখন যেমন আপনার ডাটা খরচ হয় ঠিক তেমনি ওই ওয়েবসাইট অথবা ওয়েবপেজ লোডিং হতেও সার্ভার থেকেও ডাটা খরচ করার প্রয়োজন পড়ে। আর এই ডাটাকে ব্যান্ডউইথ বলা হয়, মনে করুন একটা ওয়েবসাইট এর মাসিক ব্যান্ডউইথ দুই জিবি অর্থাৎ এই ওয়েবসাইট এর ডাটা খরচ করতে পারবে দুই জিবি কিন্তু হঠাৎ করে এই ওয়েবসাইট এর ভিজিটর যদি বেড়ে যায় তখন এই ওয়েবসাইট আর লোড নিবে না ডাউন হয়ে যাবে আর এই ডাউন হওয়াকে ডিসট্রিবুটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।

আপনি একটু খেয়াল করলে দেখবেন যখন বিভিন্ন পরীক্ষার রেজাল্ট অনলাইন ওয়েবসাইট গুলোর মাধ্যমে পাবলিশ করা হয় তখন ওই সকল ওয়েবসাইট গুলো ডাউন হয়ে যায় কারণ ওই সকল ওয়েবসাইট এর ভিজিটর তখন এতো বেশী হয়ে যায় যে সার্ভার এর ডাটা খরচ করার ক্ষমতা থাকে না আর।

বিভিন্ন অসাধু হ্যাকারস গুলো ডিডস অ্যাটাক করে মিথ্যা ভিজিটর পাঠাই এতো পরিমাণ রিকুয়েস্ট সেন্ড হয় সার্ভার এ যা কন্ট্রোল করা অসম্ভব হয়ে যায় এবং সার্ভারটির ব্যান্ডউইথ শেষ হওয়াতে ডাউন হয়ে যায়।

ডিডস অ্যাটাক এবং ডস অ্যাটাক এর মাঝে অনেক বড় ধরণের পার্থক্য রয়েছে। ডস অ্যাটাক হলো হ্যাকার তার একটা ডিভাইস থেকে অ্যাটাক চালাই এবং ডিডস অ্যাটাক হলো একই ওয়েবসাইট এ অনেক গুলো ডিভাইস দিয়ে অ্যাটাক করাকে বুঝানো হয়ে থাকে। হ্যাকার কখনো একা হয় না বেশীরভাগ হ্যাকার এর টিম রয়েছে তারা সকলেই একসাথে মিলে মিশন সম্পূর্ণ করে থাকে।

এই ডিডস অ্যাটাক সাধারণত ঘৃণা অথবা রাগ এর কারণে অনেক হ্যাকার বেশীরভাগ করে থাকে, এই ডিডস অ্যাটাক খুবই নিচু শ্রেণীর একটা অ্যাটাক হ্যাকারদের কাছে। অনেক রকমের হ্যাকার রয়েছে যারা বড় বড় কোম্পানির থেকে অর্থ দাবী করে আর সেই অর্থ প্রদান না করলে ওই কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট গুলোর উপর হ্যাকার টিম হামলা চালিয়ে ডাউন করে দিতে থাকে সকল ওয়েবসাইট এতে করে কোম্পানি গুলোর বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

Newer Posts Older Posts

Related posts